১. লাইভ চ্যাট: সাইটের নিচের ডান কোণে চ্যাট আইকনে ক্লিক করলেই লাইভ এজেন্টের সাথে সংযোগ হয়। এটি সবচেয়ে দ্রুত পদ্ধতি — সাধারণত ২–৫ মিনিটের মধ্যে সাড়া পাওয়া যায়। লাইভ চ্যাট সপ্তাহের সাত দিন, দিনরাত ২৪ ঘণ্টা চালু থাকে। বাংলায় লিখলেও এজেন্ট বাংলায়ই উত্তর দেবেন।
২. ইমেইল: বিস্তারিত সমস্যার জন্য support@jayo7.app-এ ইমেইল পাঠান। স্ক্রিনশট বা প্রমাণপত্র সংযুক্ত করে দিলে দ্রুত সমাধান হয়। সাধারণত ২–১২ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর আসে, তবে জটিল বিষয়ে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত লাগতে পারে।
৩. টেলিগ্রাম চ্যানেল: jayo7-এর অফিশিয়াল টেলিগ্রাম চ্যানেলে সর্বশেষ অফার, রক্ষণাবেক্ষণ বিজ্ঞপ্তি এবং ইভেন্ট আপডেট পাওয়া যায়। ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট সমস্যার জন্য লাইভ চ্যাট বা ইমেইলই সবচেয়ে ভালো।
মনে রাখবেন: jayo7-এর কোনো প্রতিনিধি কখনো পাসওয়ার্ড, OTP বা ব্যাংকিং পিন জিজ্ঞেস করবেন না — এ ধরনের প্রশ্ন করলে সেটা প্রতারণার চেষ্টা।
একই মোবাইল নম্বর, একই ডিভাইস, একই IP ঠিকানা বা একই পেমেন্ট পদ্ধতি থেকে একাধিক অ্যাকাউন্ট তৈরির চেষ্টা করলে jayo7-এর সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেটি শনাক্ত করে। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব অ্যাকাউন্ট স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং সমস্ত ব্যালেন্স ও বোনাস বাজেয়াপ্ত হতে পারে।
যদি আগে একটি অ্যাকাউন্ট ছিল কিন্তু এখন অ্যাক্সেস নেই, সেক্ষেত্রে নতুন অ্যাকাউন্ট না খুলে সরাসরি সাপোর্টে যোগাযোগ করুন। পরিচয় যাচাই করে পুরনো অ্যাকাউন্ট পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। নতুন অ্যাকাউন্ট খুললে পুরনোটিও বন্ধ হয়ে যাবে।
অ্যাকাউন্ট সেটিংস থেকে: লগইন করার পরে "অ্যাকাউন্ট সেটিংস → দায়িত্বশীল গেমিং" সেকশনে গেলে স্ব-বর্জনের অপশন পাবেন। সেখান থেকে ৬ মাস, ১ বছর বা স্থায়ী স্ব-বর্জন বেছে নিতে পারবেন। স্থায়ী স্ব-বর্জন কার্যকর হলে অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণরূপে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় — আর লগইন করা যায় না, প্রমোশনাল ইমেইলও বন্ধ হয়।
সাপোর্টের মাধ্যমে: support@jayo7.app-এ ইমেইল করুন। বিষয়বস্তুতে লিখুন "অ্যাকাউন্ট বন্ধের অনুরোধ"। নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর ও পুরো নাম দিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করলে সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অনুরোধ প্রক্রিয়া হয়।
অ্যাকাউন্ট বন্ধের আগে বিদ্যমান ব্যালেন্স উইথড্রল করে নিন। স্থায়ীভাবে বন্ধ হলে পরে সেই ব্যালেন্স দাবি করতে অতিরিক্ত যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। দায়িত্বশীল গেমিং সংক্রান্ত বিস্তারিত দায়িত্বশীল খেলা পেজে পাবেন।
KYC-এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
• জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) — সামনের ও পেছনের উভয় পিঠের স্পষ্ট ছবি
• পাসপোর্ট (বিকল্প হিসেবে গ্রহণযোগ্য)
• সেলফি — হাতে NID ধরা অবস্থায়
• পেমেন্ট পদ্ধতির মালিকানা প্রমাণ (যেমন বিকাশ অ্যাপের স্ক্রিনশটে নম্বর দেখাচ্ছে)
জমা দেওয়ার পদ্ধতি: লগইন করে "অ্যাকাউন্ট → পরিচয় যাচাই" সেকশনে গিয়ে ফাইল আপলোড করুন। JPG, PNG বা PDF ফরম্যাট গ্রহণযোগ্য, ফাইলের আকার সর্বোচ্চ ৫ MB।
প্রক্রিয়াকরণের সময়: নথিপত্র সম্পূর্ণ ও স্পষ্ট হলে সাধারণত ২৪–৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই সম্পন্ন হয়। ব্যবসায়িক ব্যস্ততার সময়ে সর্বোচ্চ ৭২ ঘণ্টা লাগতে পারে। যাচাই সম্পন্ন হলে ইমেইলে বিজ্ঞপ্তি আসবে।
পয়েন্ট গণনার নিয়ম:
• প্রতিটি ৳১০০ বেটে সাধারণত ১ টুর্নামেন্ট পয়েন্ট দেওয়া হয় (হার বা জিত যাই হোক)
• কিছু বিশেষ টুর্নামেন্টে জয়ের মার্জিন বা অডসের উপর নির্ভর করে বোনাস পয়েন্ট দেওয়া হয়
• ন্যূনতম অডস ১.৫০ বা তার বেশির বেটই পয়েন্টে গণনা হয় — অনেক কম অডসের বেট বাদ যায়
পুরস্কার বিতরণ: টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার ২৪–৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শীর্ষ ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টে পুরস্কার জমা হয়। পুরস্কার সাধারণত ক্যাশ বোনাস, ফ্রি বেট বা VIP পয়েন্ট আকারে দেওয়া হয়।
চলমান সব টুর্নামেন্ট ও রিয়েল-টাইম লিডারবোর্ড পুরস্কার পেজে দেখা যায়। প্রতিটি টুর্নামেন্টের নির্দিষ্ট নিয়মাবলি সেখানেই বিস্তারিত লেখা থাকে।
১. ক্লাসিক স্লট (৩ রিল): পুরনো ঢাঙের সরল স্লট, কম পেলাইন — নতুনদের জন্য শুরু করার ভালো জায়গা। বেট সীমা সাধারণত ৳১০–৳৫০০।
২. ভিডিও স্লট (৫ রিল বা বেশি): সবচেয়ে জনপ্রিয় ধরন। অ্যানিমেশন, সাউন্ড ইফেক্ট এবং একাধিক বোনাস ফিচার থাকে। বেশিরভাগ ভিডিও স্লটে ফ্রি স্পিন ট্রিগার আছে — সাধারণত ৩ বা তার বেশি স্ক্যাটার সিম্বল পেলে ফ্রি স্পিন চালু হয়।
৩. প্রোগ্রেসিভ জ্যাকপট স্লট: প্রতিটি বেটের একটি অংশ জ্যাকপট পুলে যোগ হয়। জ্যাকপট জিতলে কোটি টাকার পুরস্কার পাওয়া সম্ভব। এই স্লটগুলোতে সাধারণত সর্বোচ্চ বেটে খেললে জ্যাকপটের যোগ্য হওয়া যায়।
৪. মেগাওয়েজ স্লট: প্রতিটি স্পিনে লক্ষাধিক ওয়েজ তৈরি হয় — বড় জেতার সম্ভাবনা বেশি। বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের কাছে এই ধরনটি দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে।
৫. ক্র্যাশ গেম ও ইনস্ট্যান্ট উইন: ঐতিহ্যগত স্লটের বাইরে — মাল্টিপ্লায়ার বাড়তে থাকে এবং নিজেই ক্যাশ আউটের সময় বেছে নিতে হয়।
নতুন যোগ হওয়া স্লট গেমগুলো নতুন গেম পেজে দেখতে পাবেন।
উইথড্রলের সীমা (পদ্ধতি অনুযায়ী):
• বিকাশ / নগদ / রকেট: ন্যূনতম ৳৩০০, দৈনিক সর্বোচ্চ ৳৫০,০০০
• ব্যাংক ট্রান্সফার: ন্যূনতম ৳১,০০০, দৈনিক সর্বোচ্চ ৳২,০০,০০০
• USDT: ন্যূনতম ১০ USDT, কোনো দৈনিক সর্বোচ্চ সীমা নেই (KYC যাচাইকৃত অ্যাকাউন্টের জন্য)
প্রক্রিয়াকরণের সময়:
• বিকাশ / নগদ / রকেট: ১–৪ ঘণ্টা
• ব্যাংক ট্রান্সফার: ১–৩ কার্যদিবস
• USDT: নেটওয়ার্ক কনফার্মেশনের পর ৩০–৬০ মিনিট
উইথড্রলের আবেদন করার সময় একই পদ্ধতি ব্যবহার করুন যেটা দিয়ে ডিপোজিট করেছিলেন। ভিন্ন পদ্ধতিতে উইথড্রল করতে গেলে অতিরিক্ত যাচাই প্রয়োজন হতে পারে। লেনদেন সংক্রান্ত আরও তথ্যের জন্য আর্থিক লেনদেন পেজ দেখুন।